ওয়াইফাই কলিং কীভাবে কাজ করে

ওয়াইফাই কলিং কিভাবে কাজ করে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত বলব, ওয়াইফাই কলিং এর কাজ বা ওয়াইফাই কলিং আপনার কি কাজে লাগে, আপনার ডাটা ইন্টারনেট ছাড়া কারো সাথে কথা বলার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ওয়াইফাই কলিং। 


আর তাই এই বিষয় সম্পর্ককে আপনাদের কিছু আরটিকেল সাজেষ্ট করব। আমাদের অনেকে হয়ত এই বিষয় ধারনা নেই আমি মনে করি, ওয়াইফাই কল কি আসলে করা যায়। বা ওয়াইফাই কলিং এর কাজ কি।আর ওয়াইফাই কলিং কিভাবে কাজ করে সেই সম্পর্কে আজকে আমার বিস্তারিত আলোচনা।  তাহলে চলুন আমরা শুরু করি, কিভাবে ওয়াইফাই কলিং কাজ করে বা কি?


ওয়াইফাই কলিং কি? 

ওয়াইফাই কলিং হচ্ছে মুলত আমরা যখন কারো সাথে কথা বলার জন্য মোবাইল ব্যাবহার করি এবং এই মুহুরতে আমাদের মোবাইল সিম কারড এ ব্যালেন্স থাকেনা, ডাটা ইন্টারনেট থাকে না,  তখন আমরা ওয়াইফাই কলিং করি। 


আর যাতে আমাদের আদান প্রদান সহজে হয়ে যায়। যেমন ধরেন আপনি নিচের ফ্লাটে থাকেন এখন আপনি টাকা বা ইন্টারনেট না ব্যাবহার করে ওয়াইফাই কলিং করেন। ওয়াইফাই কলিং সম্পর্ককে আমাদের হয়ত অনেকের জানা নেই কিন্তু বেশির ভাগ ইন্টারনেট বা মোবাইল ব্যবহার কারী এর সুবিধা ভোগ করে থাকে।  তাহলে আপনি এই সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত কেন হবে।

ওয়াইফাই কলিং আসলে কি করা যায়?

হ্যা আপনি হয়ত জানেন অথবা না জানেন,  মুলত ওয়াইফাই কলিং করা যায়, আর এর সুযোগ সুবিধা অনেক আগে থেকে বহুজাতি মানুষ ব্যবহার করে থাকে। ওয়াইফাই কলিং আমাদের এখন টেলিফোন যেটা আমরা লাইন দিয়ে ব্যাবহার করতাম, সেই নেটওয়ার্ক এর কথা আমাদের সরন করে দেয় ওয়াইফাই কলিং।


ওয়াইফাই কলিং কিভাবে কাজ করে?

ওয়াইফাই কলিং কিভাবে কাজ করে আপনি কি জানেন। ওয়াইফাই কলিং আমরা জানি যেভাবে কাজ করে সেটা একদম সিম্পল পদ্ধতি।  আপনি যদি পুরাতন লেন লাইন ফোন ব্যবহার করে থাকেন। তাহলে অবশ্যই আপনি বুঝতে পারবেন যে কাছা কাছি বা পাশাপাশি কারো সাথে যোগাযোগ করার বিশেষ পদ্ধতি ওয়াইফাই কলিং। আর এই পদ্ধতি বিশেষত বর্তমান সময়ে ট্রেন্ডডে আছে।


এখন আমরা কিভাবে এনাবলে করব ওয়াইফাই কলিং সিস্টেম।  তা নিয়ে সহজে বলে দিচ্ছি, আর আপনি এই স্টেপ ফলো করলে অবশ্যই আপনি এনাবল বা ডিসেবল ওয়াইফাই কলিং করতে পারবেন খুবই সহজে। 

Tap Settings from the App Drawer.


Tap Network and Internet. 

For Samsung phones running Android 8.1 and below, tap on Connections. Motorola phones running Android 9 Pi will tap WiFi calling after network and internet.

Tap Mobile Network.

Tap Advanced.

Tap WiFi calling.

Slide the toggle switch to turn off WiFi calling. 

 এইভাবে আপনি সহজে ওয়াইফাই কলিং এনাবলের কাজ করতে পারেন, আর যদি আপনি ওয়াইফাই কলিং ডিসেবল করতে চান, তাহলে আপনাকে সেইম টু সেইম নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট অপশনে যাবেন আর উপরের এনাবলের অপশন ফলো করে যাবেন তারপর দেখতে পারবেন সুইচ অফ ওয়াইফাই কলিং অপশন আর সেখানে আপনি ক্লিক করে দিন।  তাহলে দেখবেন আপনার ওয়াইফাই কলিং ডিসেবল এর কাজ হয়ে যাবে।


তাহলে আপনি এইটা জানতে চান কি ওয়াইফাই কলিং এর সুবিধা বা অসুবিধা গুলা কি হতে পারে।

ওয়াইফাই কলিং এর সুবিধা অনেক গুলা আছে, তার মধ্য দুটি বলি:

১. আপনি ইন্টারনেট এবং ব্যালেন্স ছাড়া কল করতে পারবেন ওয়াইফাই কলিং সিস্টেম দিয়ে। 

২. আপনি খুব সহজে দিন রাত কথা বলতে পারবেন কোন খরছ ছাড়া।  আর এই সুযোগ সুবিধা আপনি ওয়াইফাই কলিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।


ওয়াইফাই কলিং এর অসুবিধা :

ওয়াইফাই কলিং এর অসুবিদা আমরা লক্ষ্য করলে দেখতে পারব অনেক কিছু। কারন সুযোগ সুবিধা যে প্রডাক্ট রয়েছে, সে সাথে অসুবিধা কিন্তু অনেক থাকে।

তার মধ্য আমি দুটি বলি:

১. ওয়াইফাই কলিং এর মাধমে আপনার আমার মোবাইলের ডাটা চুরি বা হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা ১০০% থাকে।

২. ওয়াইফাই কলিং এর কাজ যতই ভালো হোক না কেন, আপনার সকল তথ্য প্রকাশিত করে দিতে পারে, আপনার বিরুদ্ধাচার করতে একটু বাকী রাখে না। 


আর তাই আমরা সকল কিছু নিয়ে একটু চিন্তা ভাবনা করে কাজ করি যেমনটি আমরা ওয়াইফাই কলিং নিয়ে কাজ করতে সতর্কতা অবলম্বন হওয়া উচিত। ওয়াইফাই কলিং আমাদের যেমন উপকারে আসে তেমনি হতে পারে অপকার করতে সামান্য ধেরি না হতে পারে।

আপনার কাছে এই আরটিকেল কেমন লাগল। কমেন্ট করে জানাবেন, আর শেয়ার করতে চাইলে আপনার ফ্রেন্ডসদের কাছে তাহলে এখুনি শেয়ার করেন। তাহলে আপনার ফ্রেন্ডস এই বিষয়ে( ওয়াইফাই কলিং) সতর্কতা অবলম্বন করবে। এবং খুব সহজে আপনি ওয়াইফাই এর কাজ সম্পরকে জানাতে পারবেন। সেটা ওয়াইফাই কলিং আপনার কতটুকু কাজের তা জানাবেন কমেন্ট করে।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post